⊙অসাধারণ প্রেমের গল্প
বাদাম বিক্রি করে খায় এই গরিব
ছেলেটি,আর
বড় লোকের একটি মেয়ে তার
বাদাম
খাওয়ার
জন্য প্রতি দিন তার দোকানে
আসে হঠাৎ
একদিন ছেলেটি বললো মেডাম
টাকা
লাগবেনা...মেয়েটি বললো
কেনো ?
ছেলেটি
বললো মেডাম এমনি,মেয়েটি
হেসে হেসে
বললো আরে বোকা তুমি
টাকানা নিলে
খাবে
কি ?ছেলেটি বললো, মেডাম
আপনি বেশ
কিছু
দিন যাবত আমার দোকানে
আসছেন বাদাম
খাওয়ার জন্য, আপনি যখন থেকে
এই
দোকানে
বাদাম কিনছেন তখন থেকে
আল্লাহ আমার
ভাগ্যকে বদলে দিতে শুরু
করেছে। আমার
ব্যাবসা আগের চাইতে
অনেকবেশি হচ্ছে
তাই,
আমি আপনাকে ফ্রি বাদাম
খাওয়াবো !
মেয়েটি বললো তাহলে তুমি
যদি বিনিময়
কিছু
না নাও তাহলে আমি তুমার
দোকানে আর
আসবোনা।ছেলেটি বললো
তাহলে আমি
বিনিময় নিবো কিন্তু আমি যা
চাই তা
দিতে
হবে।মেয়ে : তুমি বল কি
চাওছেলে : আপনি
প্রতি দিন আমার দোকানে এসে
২ মিনিট
দাড়াবেন আর আপনার সেই
ভাগ্যবান হাতে
আমার বাদাম নাড়া দেওয়ার
চামুছটা এক
মিনিট ধরে বাদাম নেড়ে
নেরে দিবেন,
তাহলে হবে।মেয়েটি আবারো
হাসতে
হাসতে
বললো ঠিক আছে আমি তোমার
কথায়
রাজি
আছি!!!তো মেয়েটি প্রতি দিন
আসে
এভাবে
কিছু দিন যাওয়ার পর হটাৎ ২ দিন
ধরে
মেয়েটা আসছেনা।ছেলেটি
খোঁজ নিয়ে
দেখে মেয়েটি হসপিটালে
আছে।তার একটা
কিডনি ডেমেঞ্জ হয়ে গেছে।
তার পর দিন
ছেলেটিঐ হস্পিটাল
গিয়েছিলো.......তার
কিছু দিন পর মেয়েটি,সুস্থ হয়ে
আবার এই
দোকানে বাদাম খেতে
আসলো।ছেলেটি
মেয়েটিকে বললো মেডাম
কেমন আছেন?
এতো
দিন আসেনাই কেনো ?মেয়েটি
বললো
আমি
হস্পিটাল ছিলাম। আমার কিডনি
নষ্ট হয়ে
গিয়েছিলো!!ছেলে : তার পর
কি হলো ??
মেয়ে: তার পর কে আমাকে তার
কিডনি
ধান
করলো আমি তাকে খুজে পাইনি।
ছেলে:
তাহলে একটা কাজ করেন
হসপিটালেআপনাকে যেই নার্স
সেবা
করেছে
সেই নার্স কে গিয়ে জিজ্ঞেস
করুন, সে
হয়তোবা সব জানে !!!!তখন
মেয়েটি পাগল
হয়ে
নার্স এর কাছে গেলো। গিয়ে
বললো,
আপনি
বলেন আমাকে কিডনি কে
দিলো, না বললে
আমি মরে যাবো। নার্স হেসে
হেসে বললো
চলেন আমার সাথে, তখন নার্স
তাকে নিয়ে
একটা রিক্সা করে একটি গরিব
মহল্লায়
গেলো, ছোট্ট একটি ঘরে
মেয়েটিকে
নিয়েঢুকলো। ছোট্ট ঘরে ঢুকে
মেয়েটি
দেখে
সেই বাদাম ওয়ালা ছেলেটি
বসে আছে।
মেয়েটি নার্স কে জিজ্ঞেস
করলো
আমাকে
কিডনি দিয়েছে কে ?নার্স
বললো এই সেই
বাদাম ওয়ালা, যিনি আপনাকে
নিজের
কিডনি দান করেছে ।মেয়েটি
কোন কথা
না
বলেই ছেলেটিকে জড়িয়ে ধরে
বললো তুমি
চাইলে আমি সারা জীবন
তোমারবাদাম
ওয়ালি হয়ে থাকতে চাই!!!
ছেলেটি,আর
বড় লোকের একটি মেয়ে তার
বাদাম
খাওয়ার
জন্য প্রতি দিন তার দোকানে
আসে হঠাৎ
একদিন ছেলেটি বললো মেডাম
টাকা
লাগবেনা...মেয়েটি বললো
কেনো ?
ছেলেটি
বললো মেডাম এমনি,মেয়েটি
হেসে হেসে
বললো আরে বোকা তুমি
টাকানা নিলে
খাবে
কি ?ছেলেটি বললো, মেডাম
আপনি বেশ
কিছু
দিন যাবত আমার দোকানে
আসছেন বাদাম
খাওয়ার জন্য, আপনি যখন থেকে
এই
দোকানে
বাদাম কিনছেন তখন থেকে
আল্লাহ আমার
ভাগ্যকে বদলে দিতে শুরু
করেছে। আমার
ব্যাবসা আগের চাইতে
অনেকবেশি হচ্ছে
তাই,
আমি আপনাকে ফ্রি বাদাম
খাওয়াবো !
মেয়েটি বললো তাহলে তুমি
যদি বিনিময়
কিছু
না নাও তাহলে আমি তুমার
দোকানে আর
আসবোনা।ছেলেটি বললো
তাহলে আমি
বিনিময় নিবো কিন্তু আমি যা
চাই তা
দিতে
হবে।মেয়ে : তুমি বল কি
চাওছেলে : আপনি
প্রতি দিন আমার দোকানে এসে
২ মিনিট
দাড়াবেন আর আপনার সেই
ভাগ্যবান হাতে
আমার বাদাম নাড়া দেওয়ার
চামুছটা এক
মিনিট ধরে বাদাম নেড়ে
নেরে দিবেন,
তাহলে হবে।মেয়েটি আবারো
হাসতে
হাসতে
বললো ঠিক আছে আমি তোমার
কথায়
রাজি
আছি!!!তো মেয়েটি প্রতি দিন
আসে
এভাবে
কিছু দিন যাওয়ার পর হটাৎ ২ দিন
ধরে
মেয়েটা আসছেনা।ছেলেটি
খোঁজ নিয়ে
দেখে মেয়েটি হসপিটালে
আছে।তার একটা
কিডনি ডেমেঞ্জ হয়ে গেছে।
তার পর দিন
ছেলেটিঐ হস্পিটাল
গিয়েছিলো.......তার
কিছু দিন পর মেয়েটি,সুস্থ হয়ে
আবার এই
দোকানে বাদাম খেতে
আসলো।ছেলেটি
মেয়েটিকে বললো মেডাম
কেমন আছেন?
এতো
দিন আসেনাই কেনো ?মেয়েটি
বললো
আমি
হস্পিটাল ছিলাম। আমার কিডনি
নষ্ট হয়ে
গিয়েছিলো!!ছেলে : তার পর
কি হলো ??
মেয়ে: তার পর কে আমাকে তার
কিডনি
ধান
করলো আমি তাকে খুজে পাইনি।
ছেলে:
তাহলে একটা কাজ করেন
হসপিটালেআপনাকে যেই নার্স
সেবা
করেছে
সেই নার্স কে গিয়ে জিজ্ঞেস
করুন, সে
হয়তোবা সব জানে !!!!তখন
মেয়েটি পাগল
হয়ে
নার্স এর কাছে গেলো। গিয়ে
বললো,
আপনি
বলেন আমাকে কিডনি কে
দিলো, না বললে
আমি মরে যাবো। নার্স হেসে
হেসে বললো
চলেন আমার সাথে, তখন নার্স
তাকে নিয়ে
একটা রিক্সা করে একটি গরিব
মহল্লায়
গেলো, ছোট্ট একটি ঘরে
মেয়েটিকে
নিয়েঢুকলো। ছোট্ট ঘরে ঢুকে
মেয়েটি
দেখে
সেই বাদাম ওয়ালা ছেলেটি
বসে আছে।
মেয়েটি নার্স কে জিজ্ঞেস
করলো
আমাকে
কিডনি দিয়েছে কে ?নার্স
বললো এই সেই
বাদাম ওয়ালা, যিনি আপনাকে
নিজের
কিডনি দান করেছে ।মেয়েটি
কোন কথা
না
বলেই ছেলেটিকে জড়িয়ে ধরে
বললো তুমি
চাইলে আমি সারা জীবন
তোমারবাদাম
ওয়ালি হয়ে থাকতে চাই!!!