‘ড. ইউনূস পদ্মাসেতুর সমর্থক’

‘পদ্মাসেতুর অর্থায়ন বন্ধে ড. ইউনূস ষড়যন্ত্র করেছেন’ বলে বিভিন্ন পর্যায় থেকে যে অভিযোগ উঠেছে তা প্রত্যাখ্যান করেছে ইউনূস সেন্টার। বৃহস্পতিবার ইউনূস সেন্টার থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে পদ্মাসেতু ইস্যুতে তাদের অবস্থান ব্যক্ত করা হয়। বিবৃতিতে বলা হয়েছে—  প্রফেসর ইউনূস ২০১১ সাল থেকে বহুবার এই মর্মে বলে এসেছেন যে, তিনি বরাবরই বাংলাদেশের কোটি কোটি মানুষের স্বপ্ন পদ্মা সেতু প্রকল্পের একজন সমর্থক এবং এই স্বপ্নের বাস্তবায়নে তার বাধা হয়ে দাঁড়ানোর কোনো প্রশ্নই আসে না।’


‘গত কয়েক দিন ধরে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, তার পুত্র প্রধানমন্ত্রীর তথ্য বিষয়ক উপদেষ্টা, কয়েকজন মন্ত্রী ও  বেশ কয়েকজন সাংসদ সহ দেশের শীর্ষ আইন প্রণেতারা ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে, সংসদের ফ্লোরে দাঁড়িয়ে, সংবাদ সম্মেলন করে এবং বিভিন্ন নীতি-নির্ধারণী বৈঠকে পদ্মা সেতু প্রকল্পে দূর্নীতির মিথ্যা অভিযোগ সৃষ্টির নেপথ্যে থাকার জন্য নোবেল লরিয়েট প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসকে কঠোরভাবে অভিযুক্ত করে কটু ভাষায় বক্তৃতা-বিবৃতি দিয়ে আসছেন। প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস পদ্মা সেতু প্রকল্পে দুর্নীতির সম্ভাবনা বিষয়ে প্রকাশ্যে বা ব্যক্তিগতভাবে কখনো কারো কাছে কোন বিবৃতি দেননি। আমরা প্রফেসর ইউনূসের বিরুদ্ধে এই ভিত্তিহীন অভিযোগের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।’

বিবৃতিতে আরো বলা হয়— ‘পদ্মা সেতু সংক্রান্ত অভিযোগ ছাড়াও কয়েকটি পত্রিকা সুত্র উল্লেখ না করে এই মর্মে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে যে, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড প্রফেসর ইউনূসের উপর ৬৯ লক্ষ টাকা জরিমানা ধার্য করেছে। এই তথ্যটিও সত্য নয়। প্রফেসর ইউনূসের কাছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কোনো অনাদায়ী অর্থের দাবি নেই। আমরা বিভিন্ন সময়ে এ মর্মে জানিয়েছি যে, প্রফেসর ইউনূস তার সকল কর পুরোপুরি ও সময়মতো পরিশোধ করে থাকেন। তার আয় ও কর সংক্রান্ত সকল তথ্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কাছে আছে। তিনি তার আইনগত অধিকার বলে সাম্প্রতিক কিছু কর দাবী সম্পর্কে, যা তার নিকট অন্যায্য মনে হয়েছে, আদালতের স্মরণাপন্ন হয়েছেন। বিষয়টি এখনো আদালতে বিচারাধীন এবং এ বিষয়ে আদালতের যে-কোনো সিদ্ধান্ত তিনি মেনে নেবেন।’

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url