⊙ এস.এস.সি পরীক্ষার্থীদের দেখে আমার সোনালী সেই পাট ক্ষেত মার্কা দিনগুলা মনে পরি গেল। পরীক্ষার হলে গেলে যে কত্ত রহমের কত্ত ঢংগের বন্ধু পাইবেন..এগুলু বেগ্গুন বাস্তব।

১) কিছু টাইপের বন্ধু আছে, যারা
কিনা পরীক্ষার হলে হান্দাই বইলবে ""
কিরম আছিস, প্রিপারেশন কিরম???
বিলিভ করবি, আমি কাইল রাইতে বই ই
ধরি নাই
কিছু পারি না..... সব বানাইয়া
লেখুম,দেখাইস এক্টু দোস্ত
.
২) আরেক টাইপের পাইবেন যেগুলা
কিনা প্রশ্ন পত্র পাওয়ার সাথে
সাথেই
লেখা শুরু ধুমছে। ওদের কে ডাক দিয়ে
হেল্প নেওয়া তো দূরের কথা, তখন ওদের
সামনে ১০০০ টাকার নোট হাজারবার
দৌড়াদৌড়ি করলেও হেগ নজড় কাড়িতে
পারিবেন
না।
৩) আবার কিছু ক্ষেত আছে যেগুলা কিছু
লেহুক আর না লেহুক, শরীরের জামা-
কাপড়, পারে না প্যান্ট-জাইংগা
দিয়া খাতা ঢাইকা রাখে......অথচ হালায় কিছুই লিখে
না।
,
৪) কিছুতো আছে পরীক্ষার হলে হান্দাই
জিগায়"" আইজ কি পরীক্ষা?? কি দিমু??
কিচ্ছু পারি না
( অথচ, এই ঢংগি গুলাই খাতায় লিখতে
লিখতে খাতা ছাইড়া বেঞ্চে পর্যন্ত
আইসা পড়ে)
,
৫) কিছু আব্বুল আছে, হেতেরা পরীক্ষা শুরু
হওয়ার আগে চুপচাপ থাকে। কোন কথা
বলে না, জিজ্ঞেস করলে বলে "" আম্বু
বলছে বেশি কতা বললে সব ভুলি যামু ""
.
৬) কিছু আছে যাদের কে হেল্প এর জন্য
ডাকলে রিপ্লাই দিবে (সব সময়) ""
দোস্ত কিচ্ছু পারি না, সব আন্তাজি
লেখতাছি ""
.
৭) আরেক লোল টাইপ হচ্ছে, হেতেরা
শো অফের জন্য হাজার বার লুজ ( এক্সট্রা
পেপার) নিবো.... শেষবেলায় দেখা
যায় এই এক্সট্রা পেইজ গুলা খালি ই
থাকে, সারেরা ডিম দিয়া ভরাট
করে। আর যদিও বা কিছু লেহে বুজার মতো না।
.
৮) কিছু মেয়ে পাবেন যারা কিনা
আপনার সাথে হেলে দুলে বসবে... এমুন
ভাবে ডাক মারে যেন এইমাত্র বুঝি হেতার লগে আর
বিয়া অইছে।
বলবে "" এই শোন,, আমি না এটা পারছি
না, তুমি প্লিইইজ এক্টু হেল্প করবা??
গ্যারান্টি আপনার কঠোর দিলটা সেভিং ফোমের
চেয়ে নরম হয়ে যাবে, মন চাইবে সব
খুইলা ( খাতা) দেখাইয়া দেই
পরক্ষনে আপনি যখন উনার কাছে হেল্প
চাইবেন তখন রিপ্লাই আসবে --""
প্লিইইজ
লিখতে দাও তো সময় নাই ""
.
৯) আর কিছু আছে ওদের চোখ প্রশ্নে নয়,
বেঞ্চের চিপায়, পকেট থেকে বের
হওয়া টুকরো কাগজে....
তাদের যেন পরীক্ষার হলে বই খুলে
দেখাটা নৈতিক অধিকার, ইভেন
তাদের এই স্বাধীনতা যেন স্যার দের
চোখেও কখনোই পড়ে না....
,
১০) এদের বেপারটাই যেন পুরা হলে
মজা এনে দেয়। এরা ঘাড় শুধু এদিক
ওদিক
লেখা খুজে বেড়ায়। প্রশ্ন পাওয়ার পর
আপনি কিছু পারেন না, হেল্প এর জন্য
এদের দিকে তাকাতেই দেখবেন এরা

অসহায়ের মত আপনার দিকেই তাকাইয়া
আছে। দেখলে মনে হবে শালারা যেন
দুইদিন না খাইয়া আছে
এরা আবার মধ্যস্থতার কাজ ভালো
করে।
আরেকজন থেকে নিজে দেখে নিবে
আবার আপনাকেও দেখাবে
( তারাই বেস্ট)
,
১১) আবার কিছু পন্ডিত আছে তাদের পন্ডিতি
দেখানোর জন্য তার
গাড়িতে,রাস্তায়
হাটতে হাটতে, এক্সাম হলের বাইরে
দাঁড়িয়ে, ইভেন এক্সাম হলে ঢুকে এমন
কি প্রশ্ন পাওয়ার পর বই হাতে নিয়ে
পড়তে থাকে।
জিজ্ঞাসা করলে বলে "" রিভিশন দেই
""
.
১২) আর কিছু আছে যাদেরকে এক্সামের
টাইম ১ মাস দিলেও খুশি হইবো না।
টাইম শেষ, সার খাতা টাইনা নিয়া
যাইতাছে... হু কেয়ার??? দরকার হয়
বেঞ্চে - মাটিতে সব খানে লিখবো।
এই যেন লিখা নামক গাজার নেশা
.
তবে ঘটনাগুলো মজাই লাগে রে ভাউ। যে যাই কও কে
ভাউ।

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url